আসসালামু আলাইকুম। ভাই আপনাদের প্রতি অনুরোধ আমার এই লেখাটা ছাপাবেন। এটা আমার জীবনে ঘটে যাওয়া সত্যি একটা ঘটনা। এতে যদি উম্মাহর কোনো তরুণ বা তরুণী উপকৃত হয় তবেই আমার লেখা সার্থক।

আমার হস্তমৈথুনের অভ্যাসটা শুরু হয়েছিল ক্লাস সেভেন থেকে। তখন বয়স ১২ কি ১৩ বছর। একদিন বাথ্রুমে গিয়ে গোসল করতে করতে অনেকটা নিজের অজান্তেই এই পদ্ধতিটা আবিষ্কার করে ফেলি। মনে আছে খুব ভয় পেয়েছিলাম সেদিন। তখন পর্যন্ত পর্ণ জগতের সাথে আমার জানাশোনা ছিলো না। পরিচয়টা ঘটে এর কিছুদিন পরেই। এখন যেমন মোবাইল, ল্যাপটপ বা ইন্টারনেটে এগুলো ডাল্ভাত হয়ে গেছে তখন এমন ছিলো না। যখনকার কথা বলছি তখন বাংলাদেশে এই সর্বনাশা ভাইরাসটা একটু একটু করে পাখা মেলতে শুরু করেছে। মানুষের হাতে তখন সস্তা চায়না ফোন গুলো আসতে শুরু করেছে। বিভিন্ন মোবাইলের দোকান থেকে মেমরী কার্ডে পর্ণ লোড করে নেয়া যেত। মানুষ এগুলো থেকে ব্যবসা করতো।

তো যাই হোক, একদিন এক কাজিন ডিভিডিতে করে কিছু পর্ণ নিয়ে আসলো। মনে আছে প্রথমবার ওগুলো দেখার পর ভীষণ খারাপ একটা অনুভূতি কাজ করছিলো। বমি আসতে চাইছিলো যেনো। ভেবেছিলাম আর দেখবো না। কিন্তু কিছুদিন পর ওই কাজিনের পাল্লায় পরে আবার দেখে ফেললাম। প্রথমবারের তুলনায় এবার আর অতটা খারাপ লাগলো না। বরং কিছুটা ভালোই লাগলো। সেই থেকে শুরু। এরপর কেটে গেছে দীর্ঘ ১১ টি বছর। এই ১১ টি বছরে খুব কম দিনই আমার জীবনে এসেছে যেদিন আমি হস্তমৈথুন করিনি অথবা পর্ণ দেখিনি। এসএসসি পরীক্ষার পর আমাকে বাসা থেকে একটা কম্পিউটার কিনে দেয়া হয়। সেই কম্পিউটার পেয়ে আমি মহা খুশি। চুটিয়ে পর্ণ দেখা শুরু করলাম। কিন্তু একদিন ধরা পড়ে যাই। আমার আব্বা আম্মা খুব কষ্ট পেয়েছিলো সেদিন। আমার আম্মা আমার সাথে অনেকদিন কথা বলেননি।

এই সময় একটা ঘটনা ঘটে। একদিন তরকারি কাটতে গিয়ে আমার আম্মা হাত অনেকখানি কেটে ফেলেন। দরদর করে হাত থেকে রক্ত ঝরছিলো। আমি দৌড়ে গেলাম মাকে সাহায্য করার জন্য। কিন্তু আমার মা আমাকে তাকে স্পর্শ করতে দিলেন না। তার কথাটা আমাকে এখনো মনে আছে। তিনি সেদিন বলেছিলেন, “তুই আমাকে ছুবি না”। আমার অসম্ভব খারাপ লাগলো। নিজেকে পশুর চেয়ে নিকৃষ্ট মনে হলো। ইচ্ছে হলো মরে যাই। অনেক কষ্টে নিজেকে শান্ত রাখলাম। আমার ছোট ভাই সেদিন মায়ের সেবা করেছিলো। তার হাতে সেলাই করতে হয়েছিলো। অথচ তিনি কোনো ব্যাপারে আমার সামান্যতম কোনো সাহায্যও নেননি।

ইন্টারে ঢাকায় একটা নামকরা কলেজে ভর্তি হলাম। এই ২ টা বছর আমি তেমন পর্ণ দেখিনি। বলা চলে সুযোগ পাই নি। কারন আমার কাছে ১ টা ফোন ছিলো যা দিয়ে ইন্টারনেট চালানো যেতো না। তবে হস্তমৈথুন বলতে গেলে নিয়মিতই চলতো। অনেকবার চেষ্টা করেছি ছেড়ে দেয়ার। একবার ১১ দিন না করে ছিলাম। কিন্তু তারপর আর পারি না। এভাবে আমি আমার জীবনের আরও কয়েক বসন্ত পার করে দিলাম। .

ভার্সিটিতে উঠে ল্যাপ্টপ, মোবাইল, ইন্টারনেট সবকিছু সহজলভ্য হয়ে যাওয়ায় পর্ণ দেখার মাত্রা আগের চেয়ে বেড়ে গেলো। একসময় আবিষ্কার করলাম আমার আর সফটকোর টাইপের কোনো পর্ণ আর ভালো লাগে না। দিন দিন আরও বেশি এগ্রেসিভ পর্ণ এর প্রতি আসক্তি বাড়তে থাকলো। একটা সময় দিনে ৩ বা ৪ বার হস্তমৈথুন করা অভ্যাস হয়ে গেলো। শরীর দূর্বল হয়ে গেলো। কোনো কিছুতে উৎসাহ পেতাম না। এই রকম একটা অবস্থায় চলে গেলে আরো তিনটি বছর।

একটা মেয়ের সাথে আমার সম্পর্ক ছিলো। প্রথম প্রথম জাস্ট ফ্রেন্ড টাইপ সম্পর্ক থেকে একটা সময় গিয়ে প্রেমের সম্পর্কে এটা রূপ নেয়। আর এই সময় আমি আমার জীবনের সবচেয়ে মারাত্নক ভুলটা করে বসি। আমি মেয়েটার সাথে যিনায় লিপ্ত হই। একবার না। বেশ কয়েকবার তার সাথে আমি এই জঘন্য পাপাচার করেছি। আমি আবিষ্কার করলাম একটা মেয়ের সাথে শারীরিক সম্পর্ক করে যে পরিমাণ আনন্দ পাওয়ার কথা আমি আসলে তা পাচ্ছি না। পর্ণ দেখতে দেখতে নিজের ওপর এমন অত্যাচার করেছিলাম যে আমি ধরেই নিয়েছিলাম পুরুষ মানুষ হচ্ছে মেশিনের মতো। সে যতো বেশি সময় নিজেকে ধরে রাখতে পারবে ততই তার কৃতিত্ব। এই জঘন্য অপরাধ করতে করতে একসময় আমার ভেতর থেকে পাপবোধ চলে গেলো।

আগে শুক্রবার অন্তত জুমা পড়তে যেতাম। আস্তে আস্তে তাও ছেড়ে দিলাম। পাপ পঙ্কিলতায় ডুবে থাকার কারণে আমার অন্তরের শান্তি নষ্ট হয়ে গেলো। আমি রাতে ঘুমাতে পারতাম না। অল্পতেই অতিরিক্ত টেনশন করতাম। আমি প্রচুর টাকা খরচ করতাম। সিগারেট খেতাম। মাঝে মাঝে মদ গাঁজাও খেতাম। আস্তে আস্তে একটা আস্ত নরপশুতে পরিণত হলাম আমি। এভাবেই চলছিলো। এরপরই খুব দ্রুত কিছু ঘটনা ঘটে গেলো আর আমার অগোছালো নোংরা জীবনটা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি দিকে মোড় নিলো।

একদিন কোনো এক আল্লাহর বান্দার হাত থেকে আমার হাতে “মুক্ত বাতাসের খোঁজে” বইটি এলো। পড়তে শুরু করলাম। সম্পূর্ণ বইটি পড়ার পর মনে হলো বইটি মনে হয় আমার জন্যই লেখা হয়েছে। বিশ্বাস করুন একটুও বাড়িয়ে বলছি না, আমি এর আগে অনেক বই পড়েছি কিন্তু এই বইটি প্রথমবারের মতো আমার ভেতরটাকে নাড়া দিয়ে গেলো। আলহামদুলিল্লাহ, এই বইটি পড়া শেষ করার পর থেকে আজ পর্যন্ত আমি কোনো পর্ণ দেখিনি বা হস্তমৈথুনও করি নি। এই অবস্থায় আমার জন্য রিলেশনটা একটা বড় ফিতনা হিসেবে সামনে দাড়ালো। আমি তখন একটু আধটু নামাজ পড়া শুরু করেছি। যিনার শাস্তি সম্পর্কে ইসলামের বিধান কি তা যখন জানলাম তখন অঝোরে কাঁদলাম। আর-রহমানের দরবারে হাত তুলে ক্ষমা চাইলাম। মনে মনে প্রতিজ্ঞা করলাম আর এ পথে পা পাড়াব না।

.কিন্তু হায়! বিধি বাম সাধলো এবারো। আমার গার্লফ্রেন্ড ক্রমাগত চাপ দিয়ে যাচ্ছিলো আমাকে তার সাথে দেখা করার জন্য। সে আমার পরিবর্তনটা আঁচ করতে পেরেছিলো। কিন্তু আমি দেখা করতে রাজি হচ্ছিলাম না। ফোন দিয়ে প্রচুর কান্নাকাটি করলো। একসময় আমি তাকে বললাম যে দেখো আমি এখন থেকে চেঞ্জ হয়ে যাবো। নামাজ পড়বো, দাড়ি রাখবো। হারাম রিলেশন রাখবো না। সে আমার কথা শুনে খুবই তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করলো। এতদিন আমি কি কি করে এসেছি সেই ফিরিস্তি আমাকে শোনাতে লাগলো। সন্দেহ নেই যে কথাগুলো সত্যি। আমি শুধু বললাম, আল্লাহ পরম ক্ষমাশীল। চল তুমি আমি দুইজনই তার কাছে ক্ষমা চেয়ে নিজেদের পরিবর্তন করে ফেলি। আমি তাকে বিয়ে করে ফেলার প্রস্তাব দিলাম শুধু এই শর্তে তাকে পুরোপুরি পর্দা করতে হবে এবং ইসলামি বিধান মেনে চলতে হবে। সে রাজি হলো। শুধু বললো সে একবার শুধু দেখা করতে চায়। আমি রাজি হলাম এবং এইখানেই শয়তানের পাতা ফাঁদে পা দিলাম। আমার ঈমান তখনো অনেক দুর্বল। তাই সহজেই শয়তানের ধোকায় পড়ে গেলাম। আরে একবারই তো দেখা করবি। আর বিয়ে তো করেই ফেলবি সুতরাং চিন্তা কি? ফলে যা হওয়ার তাই হলো। আমি আবারো যিনায় লিপ্ত হলাম।

এইবার আমার অনুশোচনা হলো। প্রচন্ড অনুশোচনা। হায়! আমি এ কি করলাম? আল্লাহ আমাকে হিদায়াত দেয়ার পরও কি করে এই কাজ আমি করতে পারলাম? অনুশোচনায় ভিতরে ভিতরে দগ্ধ হতে থাকলাম। আল্লাহর দরবারে হাত তুলে কাঁদলাম, “হে আল্লাহ, আমি আমার নিজের নফসের ওপর জুলুম করেছি। আমি গোনাহগার, আমই পাপী, আমি নিকৃষ্ট এক বান্দা। তবু আমি তো তোমারই বান্দা। শুধু নেক বান্দারাই যদি তোমার রহমত প্রাপ্ত হয় তবে আমরা গোনাহগাররা কই যাব হে মাবুদ? তোমার কাছ থেকে হিদায়াত পাওয়ার পরেও আমি তার মূল্যায়ন করতে পারি নাই। হে আমার রব্ব, আমি লজ্জিত, আমি অনুতপ্ত অতএব আমাকে ক্ষমা করে দাও। নিশচয়ই তুমি ক্ষমশীল, পরম দয়ালু।“

আমি তাহাজ্জুদ পড়া শুরু করলাম। রাত দেড়টা দুইটার দিকে ঘুম থেকে উঠে বাকি রাত নামাজে দাঁড়িয়ে থাকতাম। সিজদায় লুটিয়ে পড়ে অঝোরে কাঁদতাম। ডুকরে ডুকরে কেঁদে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে থাকলাম। এরই মধ্যে রমাদান মাস চলে এলো। এতদিন এই মাসটাকে অবহেলা করে এসেছি। কিন্তু এবার জানলাম এই মাস এমন এক মাস যেই মাসে মহান আল্লাহ তা’আলা জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেন আর জাহান্নামের দরজা গুলো বন্ধ করে দেন। শয়তানকে শিকল পড়িয়ে বেঁধে রাখা হয়। বান্দা তার রবের সবচেয়ে নিকটবর্তী হয় এই মাসে। আল্লাহ তার ক্ষমার হাত বাড়িয়ে দেন এই মাসে। ভাবলাম এই সুযোগ, এই মাস পুরোপুরি কাজে লাগাবো। মনপ্রাণ দিয়ে ইবাদত করবো। আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইবো। এরই মধ্যে একদিন খবর পেলাম আমার গার্লফ্রেন্ড প্রেগ্ন্যান্ট।

মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়লো। হায়! এখন কি করবো? আমাকে সে চাপ দিলো বাচ্চা নষ্ট করে ফেলতে চায় তাই তার সাথে দেখা করতে বললো। আমি কিছুতেই রাজি হলাম না। আমি তাকে বিয়ে করতে বললাম আর বলে দিলাম পুরোপুরিভাবে দ্বীন ইসলামে সে যেনো প্রবেশ করে। সে সময় চাইলো। আমি তাকে সময় দিলাম। আর ওদিকে আমি ক্ষমা চাইতে থাকলাম আল্লাহর কাছে। উঠতে বসতে সারাক্ষণ আমি তওবা করতাম। আমি সারাদিন রোজা রাখতাম। ইসলাম সম্পর্কে জানার চেষ্টা করতাম আর রাতে খুব অল্প সময় ঘুমিয়ে বাকি রাত ইবাদতে কাটিয়ে দিতাম। দীর্ঘ সময় সিজদায় পড়ে পড়ে আল্লাহ তা’আলার করুণা ভিক্ষা করতাম। “হে আল্লাহ, আমি অপরাধ করেছি। আমি তোমার আদেশ অমান্য করেছি। আমি বড় বিপদে পড়েছি। আমার কারণে একটা নিষ্পাপ শিশুর ভবিষ্যত অনিশ্চিত হয়ে গেছে। ও আল্লাহ, ক্ষমা করে দাও আমায়। আমাকে এ বিপদ থেকে উদ্ধার করো। আমার দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। তুমি ছাড়া আমাকে বাঁচানোর কেউ নেই। সাহায্য করো হে আমার রব্ব। সাহায্য করো।“

ফজরের পর সবাই যখন ঘুমাতে চলে যেতো আমি তখন মসজিদের পাশের একটা মাঠে চলে যেতাম। দু হাত তুলে রবের দরবারে ক্ষমা ভিক্ষা চাইতাম। চোখ থেকে অঝোর ধারায় অশ্রু নেমে আসতো। সে অশ্রুতে প্লাবিত হতো, দু গাল, সদ্য রাখতে শুরু করা শ্মশ্রু। “হে আল্লাহ আমি তোমার রহমত থেকে নিরাশ হই নি। আমার যাওয়ার কোনো জায়গা নাই। আমাকে জাহান্নাম থেকে বাঁচাও। মেহেরবানী করে আমাকে ক্ষমা করে দাও।“ কাঁদতে কাঁদতে কখনো কখনো মাটিতে লুটিয়ে পড়তাম। ভোরবেলার ঝিরঝিরে পবিত্র বাতাস আমার শরীরের ওপর দিয়ে আল্লাহর রহমতের পরশ বুলিয়ে দিত। যেনো বলতে চাইত, “দুঃখ কোরোনা। নিশ্চই তোমার রব্ব পরম দয়ালু।“ ۞ نَبِّئْ عِبَادِىٓ أَنِّىٓ أَنَا ٱلْغَفُورُ ٱلرَّحِيمُ ﴿٤٩﴾ “আমার বান্দাদের জানিয়ে দাও যে, আমি নিশ্চয় ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু” (সূরা আল-হিজর, আয়াত ৪৯)

এরই মধ্যে ক্বদরের রাত চলে এলো। এই দশ রাতের প্রতিটি রাত সারারাত সলাত আর কুরআন তিলওয়াতে কাটলো। সেই দশ রাতের অভিজ্ঞতা আমার পক্ষে বর্ণনা করা সম্ভব না। হায়! সেই দশ রাত যদি আবার ফিরে পেতাম! ঈদের দিন এলো। খুশির দিন। কিন্তু আমার মনে অপরাধবোধ। আল্লাহ কি আমায় ক্ষমা করে দিয়েছেন? নাকি আমি ক্ষমা করিয়ে নিতে পারি নি?

ঈদের সলাত আদায় করতে গেলাম। ইমাম সাহেব বললেন যে এই দিনে সলাত আদায়ের পর যারা সারা রমাদান মাস সিয়াম পালন করেছে তাদের এমনভাবে ক্ষমা করে দেয়া হয় যেনো সদ্য জন্মানো শিশু। সলাত শেষ হলো। ইমাম সাহেব হাত উঠালেন। দুআ শুরু করলেন। সবাই কাঁদতে শুরু করলো। আমিও চোখের পানির বাঁধ ছেড়ে দিলাম। কাদঁতে কাদঁতে দাড়ি ভিজে গেলো। একটা সময় দুআ শেষ হলো। কিন্তু আমি উঠতে পারছিনা। আমি তখনো কেঁদেই যাচ্ছি কেঁদেই যাচ্ছি। কান্না থামাতে পারছি না। “হে আমার রব্ব, আমি সত্যিই অনুতপ্ত। দয়া করে আমাকে ক্ষমা করে দিন।” এক সময় মানুষ উঠে কোলাকুলি শুরু করলো। আমি তখনো কেঁদে যাচ্ছি। আমার বাবা আমার পাশে এসে দাড়ালেন। পরম মমতা নিয়ে তিনি আমার দিকে তাকিয়ে আছেন। আমি বাবাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে লাগলাম। বাবা আমাকে ক্ষমা করে দাও। .

আমার দুআ আল্লাহ ত’আলা শুনেছেন। তিনি আমাকে বিপদ থেকে রক্ষা করেছেন। সে অন্য গল্প। আমার জীবনে আমি এখন অনেক সুখী। সব ধরনের আসক্তি থেকে বেরিয়ে আসতে পেরেছি আলহামদুলিল্লাহ। যারা আমার মতো আছেন তাদের প্রতি আমার একটাই কথা, ভাই/বোন কখনো হতাশ হবেন না। আপনি যত বড় গুনাহই করেন না কেনো আপনি ক্ষমা চাইলে আল্লাহ আপনাকে ক্ষমা করবেনই। দরকার শুধু আপনার একটু চেষ্টা আর আন্তরিকতা। তাই নিজের হতাশাকে একেবারে ঝেড়ে ফেলুন। উঠুন, দেখুন কত সুন্দর এই পৃথিবী। আল্লাহর সাথে সম্পর্ক মজবুত করুন। দেখবেন জীবন অনেক সহজ হয়ে যাবে। আল্লাহ আমাদের সকলকে সিরাতল মুস্তাকিমের পথে চলার তৌফিক দিন, আমিন।

চলবে ইনশা আল্লাহ…

পড়ুন-

খুলে দাও হৃদয়ের দ্বার (প্রথব পর্ব)

আরো পড়ুনঃ

নীড়ে ফেরার গল্প

নীড়ে ফেরার গল্প (দ্বিতীয় কিস্তি)

নীড়ে ফেরার গল্প (তৃতীয় কিস্তি)

নীড়ে ফেরার গল্প (চতুর্থ কিস্তি)

নীড়ে ফেরার গল্প (পঞ্চম কিস্তি)

নীড়ে ফেরার গল্প (ষষ্ঠ কিস্তি)

নীড়ে ফেরার গল্প (সপ্তম কিস্তি)

মুক্ত বাতাসের খোঁজে বইয়ের লিংক-

শেয়ার করুনঃ