পর্নআসক্তি শিশু কিশোরদের সবচেয়ে বড় ক্ষতি করেছে যৌনতার ব্যাপারে দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করে। এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা আমরা করব ইনশা আল্লাহ্‌ । কিন্তু তার পূর্বে শিশু কিশোরদের ওপর পর্ন মুভির অন্যান্য ক্ষতিকর দিক নিয়ে আলোচনা করা যাক।

পর্নআসক্তির কারনে একাডেমিক রেজাল্টের বারোটা বেজে যায় ।২০১৫ সালে এক গবেষণা থেকে গবেষকরা এ সিদ্ধান্তে পৌঁছান যে, ‘টীনেজারদের পর্ন দেখা ক্রমাগত বাড়তে থাকলে ছয় মাসের মধ্যেই তারা পরীক্ষায় খুবই খারাপ রেজাল্ট করা শুরু করে’। [১]

২০০৮ এ জার্মানির একদল গবেষক বলেন পর্নআসক্তি কলেজ ছাত্রদের একাডেমিক পারফরম্যান্সের উন্নয়নে বড় একটা বাঁধা ।  পর্নমুভি দেখে এমন ছাত্ররা খুব একটা হোম ওয়ার্ক করতে চায়না, ক্লাস পালায়, ঠিকমতো এসাইন্মেন্ট জমা দেয় না । আসলে কেউ যদি পর্ন বা মাস্টারবেশনে আসক্ত হয় তাহলে তাকে এগুলোর পেছনে অনেক সময় এবং এনার্জি ব্যয় করতে হয় । এগুলো করার পরে আবার খারাপ লাগে । অন্তরের ভেতরটা ফাঁকা হয়ে যায়। কোন কাজ করতে ইচ্ছে করে না । শুয়ে বসে, ঝিমিয়ে, ঘুমিয়ে দিন পার করতে ইচ্ছে করে ।

পর্ন দেখার সময় ব্রেইনে খুব শক্তিশালী কিছু রাসায়নিক বিক্রিয়া হয় [https://goo.gl/ZM5n3x ]। কেউ এতে আসক্ত হলে তার সব মনযোগ এতেই কেন্দ্রীভূত হয়; কবে ম্যাথ এক্সাম হবে বা  কবে কোন  এসাইন্মেন্ট জমা দিতে হবে তার কিছুই মনে থাকে না । তার   পক্ষে পড়াশোনায় মনযোগ দেওয়া সম্ভব হয়ে ওঠে না । মাথায় পর্নমুভির দৃশ্যগুলো ঘুরতে থাকে । পর্নমুভির ফ্যান্টাসিতে বুঁদ হয়ে থাকতেই সে পছন্দ করে , পড়াশোনা তার কাছে   কাঠখোট্টা, নীরস মনে হয় ।  ফলাফল- পরীক্ষায় ডাব্বু মারা ।

 

পর্নআসক্তি জন্ম দেয় হতাশা, উদ্বিগ্নতা। অল্প বয়সেই নারী পুরুষের দৈহিক রসায়ন জেনে ফেলাতে নিষ্পাপ , নির্ভাবনাময় শৈশব কৈশোরে ভর করে জটিলতা , জমে অবসাদ আর গ্লানির পাহাড়।[২]

যে বয়স ছিল দুরন্তপনার, মাঠ ঘাট দাপিয়ে বেড়ানোর সেই বয়সে অন্ধকার ঘরে পর্ন দেখা  কিশোরদের বাহিরের পৃথিবী সম্পর্কে অযথা ভয় ঢুকিয়ে দেয়। সে নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভোগে। বয়ঃসন্ধিকালে এমনিতেই মানুষজন থেকে একটু দূরে দূরে থাকার প্রবণতা  থাকে, পর্নআসক্তি সেটা বাড়িয়ে ফেলে বহুগুন। কিশোরেরা হয়ে পড়ে অসামাজিক। মানুষজনের সামনে যেতে সে লজ্জা পায়,তাদের থেকে পালিয়ে পালিয়ে বেড়ায়। চরম একাকীত্বে ভোগা শুরু হয়। এই হতাশা, অস্থিরতা, একাকীত্ব থেকে শুরু হয় ড্রাগ আসক্তি; সিগারেট,মদ-গাঁজা, ইয়াবা, হিরোইন বাদ যায়না কিছুই। [৩]

 

শারীরিক এবং মানসিক বিকাশ চরম ভাবে বাঁধাপ্রাপ্ত হয়। পর্নআসক্তির কারণে খুব অল্প বয়স থেকেই  মাস্টারবেশনে আসক্ত হয়ে পড়ে। মাস্টারবেশন ছোট্ট জীবনটাকে করে ফেলে দুর্বিষহ। পর্ন,মাস্টারবেশন আসক্তির যুগলবন্দী ধীরে ধীরে নষ্ট করে দেয় কিশোরদের যৌনক্ষমতা।

 

তবে  পর্নইন্ডাস্ট্রি  অমার্জনীয় এক অপরাধ করেছে ভালোবাসার সংজ্ঞা বদলে দিয়ে ।

মিডিয়া কিশোর তরুণদের খুবই প্রভাবিত করে। তাদের জীবনদর্শন,বিশ্বাস, আচার আচরণ, আবেগ মিডিয়া খুব সহজেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। [৪]

পর্নআসক্ত শিশু কিশোরদের বিশ্বাস-আচার আচরণ আবেগ সব কিছুই পর্দায় দেখা দৃশ্য দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় এটা বলাই বাহুল্য। সেক্স এডুকেশানের জন্য পর্নমুভিকে বেছে নিচ্ছে শিশু কিশোরেরা। [৫] যৌনতা  সম্পর্কে কোন ধারণা না থাকায় পর্ন মুভির বিকৃত যৌনতাকেই তারা আদর্শ যৌনতার মাপকাঠি ধরে নেয়- এভাবেই বোধ হয় সঙ্গিনীর সঙ্গে অন্তরঙ্গ হতে হয়, ভালোবাসা বোধহয় একেই বলে, এভাবে সঙ্গিনীকে ভালবাসলে তারা পরিতৃপ্ত হয়, সঙ্গিনী অন্তরঙ্গ হতে চাচ্ছে না মানে সে আসলে বোঝাতে চাচ্ছে আমার ওপর একটু জোর খাটাও, তুমি একটু রাফ হও’।

কোনটা যে বিকৃত ফ্যান্টাসী আর কোনটা যে সত্যিকারের অন্তরঙ্গতা, ভালোবাসা সেটা বুঝতে পারেনা । [৬]

পর্নমুভি শিশু কিশোরদেরকে এটা বিশ্বাস করতে বাধ্য করে যে নারী একটা যৌন বস্তু, পুরুষের  মনোরঞ্জনের জন্যেই যার পৃথিবীতে আগমন।নারীরাও যে মানুষ, তাদেরও হৃদয় আছে, তাদেরও মন আছে, একজোড়া চোখ আছে সেই চোখের ভেতরে একটা  আকাশ আছে এই অনুধাবন শক্তি নষ্ট করে দেয় পর্ন আসক্তি। নারীরা যেন শুধু একটা মাংসপিণ্ড যা নিয়ে উদ্দাম ফুর্তি করা যায়, রাত কাটানো যায়, কিন্তু ভালবাসা যায় না, চোখের তারায় হারিয়ে যাওয়া যায় না ,সম্মান করা যায়না । [৭]

এর ফল হয় মারাত্মক!

পর্নস্টার আর সিনেমার নায়িকারা তো আছেই, ছোট্ট মস্তিষ্ক সমস্ত শক্তি দিয়ে আশেপাশের সব নারীকে নিয়ে ফ্যান্টাসিতে ভোগা শুরু করে দেয়, সমানে চলে মাস্টারবেশন। কাজিন,ক্লাসমেট, টিচার, পাশের বাসার আন্টি,পাড়াতো বড়আপু

ভাবী,চাচী,মামী,ফুপু,খালামনি, এমনকি নিজের বোনকে নিয়েও! বাদ যায়না কেউই।

পর্নমুভি শিশু কিশোরদের ভুলিয়ে দেয় যৌনতার পূর্বশর্ত  বিয়ে করা। খুব অল্প বয়সেই এরা হারিয়ে ফেলে নিজেদের পবিত্রতা। কলুষতার চাদর জড়িয়ে নেয় গায়ে। পর্ন দেখে দেখে মাস্টারবেট করে আর নিজেকে ঠান্ডা করা যায়না।একজন পার্টনারে  শিশু কিশোররা আর সন্তুষ্ট থাকতে পারেনা, ঘন ঘন পার্টনার বদলাতে থাকে,কেউ কেউ হয়তো হয় এক রাতের পার্টনার। বিশ্বস্ত, নিঃস্বার্থ সম্পর্কে আবদ্ধ হবার চেয়ে ‘যৌন স্বার্থের’ চুলচেরা হিসেব নিকেষের জটিল সম্পর্কে আবদ্ধ হয় এরা।

পর্দায় দেখা দৃশ্যগুলো অনুকরণ করে। সঙ্গিনী রাজি না হলে জোর করে। [৮,৯]

এনাল সেক্স, ওরাল সেক্স সহ ঝুঁকিপূর্ণ সব পদ্ধতিতে এরা যৌনমিলন করে, কোন ধরণের প্রতিরোধক ব্যবস্থা না ছাড়াই যৌন মিলনের ফলে যৌনবাহিত নানা রোগে আক্রান্ত হয়।উদ্দাম যৌন জীবনের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলে মদ, গাঁজা, ইয়াবা সেবন । [১০,১১]

শিশু কিশোরেরা যতোবেশি পর্নআসক্ত হয় যতোবেশি হার্ডকোর পর্ন দেখে ততোবেশি বিকৃত যৌনতায় মেতে ওঠে। এনাল সেক্স, ওরাল সেক্সের কথা তো আগেই বলা হয়েছে, যৌনতার সময় সঙ্গিনীকে মারধোর করা, গলা টিপে ধরা, খিস্তিকেউর করা, জোর জবরদস্তি করা, গ্রুপ সেক্স,পশুকাম… আর বলার প্রবৃত্তি হচ্ছেনা। [১২,১৩]

যৌন সহিংসতাকে তীব্র ভাবে উৎসাহিত করা হয় পর্নমুভিতে। পর্নআসক্ত শিশু কিশোররা হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলে পরিণত হয় যৌন নিপীড়কে। ধর্ষণ করতেও দ্বিধাবোধ করেনা। হাতের কাছে যাকে পায় তাকে দিয়েই লালসা মেটাতে চায়।

ডেইলি মেইলে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ফুটে উঠেছে ইন্টারনেট পর্ন কীভাবে শিশু কিশোরদের  ধর্ষকে পরিণত করে।

ইংল্যান্ডে মাত্র ৪ বছরে ১৭ বছরের চেয়ে কম বয়সীদের দ্বারা ধর্ষণের ঘটনা বেড়ে গিয়েছে ২ গুন।

UK’s Ministry of Justice জানাচ্ছে ২০১৫ সালে ১২০ জন শিশু ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছে ২০১১ সালের তুলনায় তা প্রায় ৭৪ শতাংশ বেশি।

Justice Minister Phillip Lee শিশুদের দ্বারা শিশুদের যৌন নিপীড়িনের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে অনলাইন পর্নকে দায়ী করেন এই শিশু-কিশোরদের এই অধঃপতনের জন্য । [১৪]

Australian Psychological Society ‘এর ধারণা অনুস্বারে  ২০ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক নারীদের  ধর্ষণের জন্যে কিশোরেরা দায়ী, এবং ৩০-৫০ শতাংশ শিশুদের যৌন নিপীড়নের জন্যে দায়ী এই কিশোরেরা।

Emeritus Professor Freda Briggs,  যিনি একজন শিশু নিরাপত্তা বিষয়ক বিশেষজ্ঞও,  দাবী করেন,‘ইন্টারনেট পরনোগ্রাফি শিশুদেরকে পর্দার যৌন নিপীড়কের একদম কার্বন কপি বানিয়ে ফেলছে। পর্দায় যা দেখছে তারা সেটাই করার চেষ্টা করছে অন্য শিশুদের ওপর। [১৫]

পর্নমুভি দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে শিশুরাই অন্যশিশুদের যৌন নিপীড়ন করছে এরকম অসংখ্য ঘটনা পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। পাঠকদের জন্য আমরা কয়েকটি ঘটনা উল্লেখ করছি।

১) ইংল্যান্ডে ১২ বছরের বালক পর্নমুভির অনুকরণে ৭ বছর বয়সের নিজের বোনকে ধর্ষণ করেছে [১৬]

২)  ঢাকার কেরানীগঞ্জের সিরাজনগর এলাকার ৭ বছরের শিশুকন্যা ফারজানা ২০১৭ সালের ১৬ সেপ্টেমবার  নিখোঁজ হয়। পরদিন ১৭ সেপটেম্বার চাচা রহমত আলীর বাড়ির পেছনে পাওয়া যায় তার হাত-পা বাঁধা লাশ। নিষ্পাপ শিশুটিকে কে হত্যা করল?

ডিবি পুলিশ তদন্ত শুরু করে। কেঁচো খুঁড়তে যেয়ে সাপ নয় একদম কুমীর বের হয়ে আসে।

শিশু ফারজানার’ই এক নিকটাত্মীয় কিশোর মোবাইল পর্ন থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে ফারজানাকে হত্যা করে। ফিল্মী কায়দায় পুলিশের চোখে ধোঁকা দেওয়ার চেষ্টা করে । কিন্তু শেষ রক্ষা হয়না । [১৭]

৩) পর্ন দেখে দিশেহারা হয়ে ১৪ বছরের কিশোর ১০ বছরের শিশুকে অপহরণ করে ধর্ষণ করেছে [১৮]

৪) ১৫ বছরের কিশোর ১৪ বছরের বালিকাকে চেয়ারে বেঁধে পর্নমুভির অনুকরণে নির্যাতন চালিয়েছে [১৯]

আমাদের চারপাশে প্রতিনিয়ত এরকম অজস্র ঘটনা ঘটে চলেছে আমরা টেরও পাইনা, বীভৎস ঘটনাগুলোর খুব অল্পসংখ্যকই জনসম্মুখে আসে।

বীভৎস একটি ব্যাপার হলো পর্নআসক্ত শিশু কিশোরেরা   সমকামিতায় লিপ্ত হয়ে যেতে পারে। পর্নমুভি দ্বারা প্রোগ্রামড কিশোর তরুণদের নিকট এনাল সেক্স,ওরাল সেক্স খুবই স্বাভাবিক একটা ব্যাপার। বন্ধুবান্ধব মিলে একসঙ্গে পর্ন দেখার সময় উত্তেজনা সামলাতে না পেরে এবং নারীর সঙ্গে অন্তরঙ্গতার সুযোগ না থাকার কারণে এরা অনেকসময়ই পর্ন দেখার সঙ্গী সাথিদের সঙ্গে সমকামিতায় লিপ্ত হয়ে যায়।

মেয়েদের মধ্যেও আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে পর্ন আসক্তি।

১১০০০ কলেজ পড়ুয়া তরুণীদের ওপর গবেষণা করে দেখা যাচ্ছে শতকরা ৫২ জন ১৪ বছরে পা দেবার পূর্বেই পর্ন দেখে ফেলেছে।[২০]  আরেকটি সার্ভেতে দেখা যাচ্ছে প্রতি ৩ জন নারীদের মধ্যে ১ জন সপ্তাহে অন্তত একবার হলেও পর্ন দেখে । [২১] বিশ্বের সর্বাধিক জনপ্রিয় এক পর্ন সাইটের দেওয়া পরিসংখ্যান থেকে জানা যাচ্ছে যে দেশগুলোতে সবচেয়ে বেশি পর্ন দেখা হয় তাদের মধ্যে ইন্ডিয়ার স্থান চার নাম্বারে। আর এই ইন্ডিয়া থেকে যতজন মানুষ সেই সাইটে পর্ন দেখে তার এক চতুর্থাংশই মহিলা। মেয়েরা সবচেয়ে বেশি পছন্দ করে লেসবিয়ান এবং গে পর্ন।  [ ফিত্নার ভয়ে রেফারেন্স দেওয়া হল না ]

মেয়েদের এই ক্রমবর্ধমান পরনাসক্তি বদলে দিচ্ছে তাদের যৌন উপলব্ধি। বিকৃত যৌনাচার, যৌন সহিংসতা,ধর্ষণ তাদের কাছে স্বাভাবিক  ব্যাপার  হয়ে যাচ্ছে দিন দিন । [২২]  কিশোরী তরুণীদের মধ্যে গ্রুপ সেক্সে লিপ্ত হবার প্রবণতা বাড়ছে । [২৩]

চলবে ইনশা আল্লাহ্‌……

পড়ুনঃ প্রথম কিস্তি- https://goo.gl/zwcD4I

রেফারেন্সঃ

[১] Ine Beyens, Laura Vandenbosch, and Steven Eggermont, “Early Adolescent Boys’ Exposure to Internet Pornography: Relationships to Pubertal Timing, Sensation Seeking, and Academic Performance,” The Journal of Early Adolescence 35, no. 8 (2015): 1045-1068

[২] Michael E. Levin, Jason Lillis, and Steven C. Hayes, “When is Online Pornography Viewing Problematic Among College Males? Examining the Moderating Role of Experiential Avoidance,” Sexual Addiction & Compulsivity 19, no. 3 (2012): 168–80.

[৩] Porn Addiction: Often Part of a Larger Addictive Pattern – https://goo.gl/FyBQ6L

[৪] Victor C. Strasburger, Amy B. Jordan, and Ed Donnerstein, “Health Effects of Media on Children and Adolescents,” Pediatrics 125, no. 4 (2010): 756–767

[৫] Students turn to porn for sex education – https://goo.gl/9NJJr9

[৬] Pamela Paul, “From Pornography to Porno to Porn: How Porn Became the Norm,” in The Social Costs of Pornography, edited by James R. Stoner Jr. and Donna M. Hughes, 3–20. Princeton, New Jersey: Witherspoon Institute, 2010.

[৭] Jochen Peter and Patti M. Valkenburg, “Adolescents’ Exposure to Sexually Explicit Internet Material and Notions of Women as Sex Objects: Assessing Causality and Underlying Processes,” Journal of Communication 59 (2009): 407–433.

[৮]Paul J. Wright, Robert S. Tokunaga, and Ashley Kraus, “Consumption of Pornography, Perceived Peer Norms, and Condomless Sex,” Health Communication 31, no. 8 (2016): 954-963.

[৯] Kids Who Find Hardcore Porn Want To Repeat What They’ve Seen, Study Shows- https://goo.gl/RDV1ia

[১০] Anneli Givens, Jacob Brown, and Frank Fincham, “Is Pornography Consumption Associated with Condom Use and Intoxication During Hookups?” Culture, Health & Sexuality 17, no. 10 (2015): 1155-1173.

[১১] Scott R. Braithwaite, Sean C. Aaron, Krista K. Dowdle, Kersti Spjut, and Frank D. Fincham, “Does Pornography Consumption Increase Participation in Friends With Benefits Relationships?” Sexuality & Culture: An Interdisciplinary Quarterly 19, no. 3 (2015): 513-532

[১২] Paul J. Wright, Chyng Sun, Nicola J. Steffen, and Robert S. Tokunaga, “Pornography, Alcohol, and Male Sexual Dominance,” Communication Monographs 82, no. 2 (2015): 252-270.

[১৩] Kathryn C. Seigfried ¬Spellar and Marcus K. Rogers “Does Deviant Pornography Use Follow a Guttman-Like Progression?” Computers in Human Behavior 29, no. 5 (2013): 1997–2003.

[১৪] Extreme internet porn is fuelling a surge in sex attacks by children: Number of under-17s convicted of rape almost doubles in four years – https://goo.gl/X9m6H8

[১৫] Sex Before Kissing: How 15-Year-Old Girls Are Dealing With Porn-Obsessed Boys- https://goo.gl/bFUKYn

[১৬] Boy who raped sister after watching pornography sentenced – https://goo.gl/UXMHa2

[১৭] ধর্ষণ-খুনে এক কিশোরের তেলেসমাতি-https://goo.gl/QqXcRZ

[১৮] Boy, 14, raped girl aged ten after watching online porn https://goo.gl/seKvxs

[১৯] Judge blames 15-year-old boy’s internet porn obsession for his rape of girl, 14, in a ‘heinous’ attack

https://goo.gl/wnkDyx

[২০] How Many Women are Hooked on Porn? 10 Stats that May Shock You- https://goo.gl/h31twR

[২১] Survey Finds More Than 1 In 3 Women Watch Porn At Least Once A Week- https://goo.gl/LRfx8o

[২২]Shawn Corne, John Briere, and Lillian M. Esses, “Women’s Attitudes and Fantasies About Rape as a Function of Early Exposure to Pornography,” Journal of Interpersonal Violence 7, no. 4 (1992): 454-461.

[২৩] Porn use makes teen girls five times more likely to have group sex: study- https://goo.gl/9k5SiJ

শেয়ার করুনঃ