বিসমিল্লাহির রহমানীর রহীম

এই অভিশপ্ত জীবন শুরু হবার সময় আমার বয়স ছিল ৪ অথবা ৫ বছর। যদি ভেবে থাকেন যে, আমাকে মুখোশপরা ছেলেধরারা ধরে নিয়ে গিয়েছিল তাহলে ভুল ভাববেন। আমার গল্প আরো জঘন্য। একরাতে আমার সৎবাবা আমাকে বিছানা থেকে তুলে বলল, “তোমার চাচা তোমাকে দেখতে এসেছে।” আমি নিচে নেমে এলাম। নিচে কোন চাচা ছিল না। এর বদলে ছিল ঘিনঘিনে কিছু মানুষ। তারা আমাকে একজন করে কোলে নিতে থাকল। একটা বাস্কেটবলের মত আমাকে তারা পাস করতে থাকত একজনের থেকে আরেকজনের দিকে। এর বদলে আমার সৎবাবাকে তারা কিছু ডলার দিয়েছিল। আর আমার মা সেইখানেই নীরব দর্শকের মত দাঁড়িয়ে সব দেখছিল।

.আমাদের ঘরে সারারাতই অনেক লোক থাকত। আমার সৎবাবা এবং মা সারারাত তাদের সাথে মদ, গাঁজা নিয়ে ব্যস্ত থাকত। আমার মা ছিল অনেকটা  নেতাগোছের। সে বেশিরভাগ সময়েই তারা একসাথে কি করবে তা সিদ্ধান্ত নিত। আমি যখন ঐ বয়সে ছিলাম তখন “চাচা”দের কোলে উঠা থেকে বেশি কিছু করতে হয়নি। আমি ছোট ছিলাম। আমার কোন বুঝই ছিল না যে, আসলে কি হতে যাচ্ছে। কয়েকবছর পরে তারা আমাকে “প্রাইভেট সেশন” এর জন্য পাঠাতে থাকল। হ্যা; এই প্রাইভেট সেশন মানে ঠিক তাই যা আপনি ভাবছেন। এখন হয়তো আপনি ভাবছেন, এইসব কথা আমি তখন কাউকে জানাইনি কেন? আমি জানিয়েছিলাম। ৬ বছর বয়সে আমি আমার শিক্ষককে বলেছিলাম যে, আমার চাচারা এসেছিল আর তাদের সাথে আমি অনেক মজা করেছি। (আমার মা ঠিক এই শব্দগুলোই ব্যবহার করত)। এরপরে যদি আপনি ভেবে থাকেন পুলিশের লোক এসে আমাদের বাড়ি থেকে সবাইকে ধরে জেলে ভরে দিল তাহলে আপনি ভুল ভাববেন। আমার শিক্ষক তখন আমার মাকে ডেকে আনালেন। আমার মা কোনভাবে কথার জোরে পার পেয়ে গেলেন। আমি বাড়ি ফিরে আসলে আমাকে চরম মার লাগালেন।

.

কি অদ্ভুত! তাইনা? এই ঘটনা যদি কোনো সিনেমায় দেখানো হয় তাহলে হয়তো ভাবতেন সিনেমার রাইটারের মাথায় সমস্যা আছে। কিন্তু বাস্তবতা খুবই অন্যরকম। প্রতিবছর সারাবিশ্বে আমার মত যৌনদাসীদের কেনাবেচার পেছনে ৯.৫ থেকে প্রায় ৩২ বিলিয়ন ডলারের কেনাবেচা হয়। তুলনা করে দেখতে পারেন এভাবে যে, সারা বছর পুমা কোম্পানি সারাবিশ্ব থেকে লাভ করে প্রায় ৪.৫ বিলিয়ন ডলারের মত। কম করে হলেও এর দ্বিগুন ব্যবসা হয়। কিছুদিন আগে একটা জরিপে দেখা গেছে যে, যুক্তরাষ্ট্রে এরূপ ঘটনার স্বীকার মানুষদের ৮৩ শতাংশই এদেশেরই নাগরিক। এদেরও প্রায় অর্ধেক অপ্রাপ্তবয়স্ক; আমি যেমন ছিলাম। শুধুমাত্র এই জুনেই এফবিআই ১৬৮ জন বাচ্চাকে উদ্ধার করেছে। ২০০৮ সাল থেকে এইরকম অপারেশনে উদ্ধার করা হয়েছে ৪০০০ জনকে। এই ভিক্টিমদের কেউ কেউ ঘর ছেড়ে পালিয়ে আসা; কারো পিতৃভাগ্য খারাপ। তারা সবাই অদৃশ্য মানুষের মত। মুলধারার সমাজের চোখে এসব চোখে পড়ে না। সবার সামনে আমি খুব ভাল ছাত্রী ছিলাম; আমি কিছু পার্টটাইম জবও করতাম। এর বাইরে আমার একটি গোপন জগৎও ছিল। প্রথম অংশটা আমার মায়ের কাছে ছিল বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সমাজের কাছে আমার ইমেজ থাকতে হবে একটি “ভাল মেয়ে”র।

.

# এই বাণিজ্যের প্রধান মাধ্যম ইন্টারনেটঃ

….আমার মায়ের একটি ওয়েবক্যাম ছিল। কয়েক বছর সেই “চাচা”দের অধ্যায় শেষ হলে আমার মা ঠিক করলেন এই “ব্যবসা” অনলাইনে প্রসার ঘটাবেন। আমাকে ওয়েবক্যামশো করতে হত। আমার যদ্দূর মনে পড়ে এরকম প্রথম শো আমি করেছিলাম ৬ বছর বয়সে। আমার জীবনে একমাত্র আশার আলো ছিল আমার নানী। কিন্তু ৮ বছর বয়সে তিনি মারা যাবার পরে আমার “পসার” অনেক বেড়ে যায়। সে সময়ে ইয়াহু তে চ্যাটরুম ছিল এইসব কাজের জন্য। সেখানে বিভিন্ন কোডওয়ার্ডের মাধ্যমে আমার মা কথা বলত অন্যান্যদের সাথে। ক্রেতাদের জন্য পুরা একটা আলাদা কোডই ছিল। স্নো হোয়াইট মানে বুঝানো হতো ফর্সা এবং কালো চুলের মেয়ে। স্লিপিং বিউটি মানে বুঝানো হতো সোনালি চুল আর নীল চোখের মেয়ে। স্ট্রবেরি শর্টকেক মানে ছিল লালচুলো মেয়ে; ওরিওস বলে বুঝানো হত নিগ্রোদের। আর ফরচুন কুকি ছিল এশিয়ান মেয়েদের কোড।

.

আপাতত কথা বলা শেষে আমার মা আমাকে প্রাইভেট চ্যাটরুমে পাঠাত। আমাকে তখন ক্রেতাদের সাথে কথা বলতে হত। প্রথমে কথাবার্তা হত খুব স্বাভাবিকভাবে। এরপরে তারা সিদ্ধান্ত নিত তারা কি আমাকে ভোগ করতে চায় নাকি অন্যকিছু। তারা যদি রাজি না হত তখন আমার বাবা মা সেটাকে আমার দোষ হিসাবেই দেখত। আমার বয়স দশ পর্যন্ত এই ব্যবসা ভালমতই চলছিল।

এরপরে ছিল ব্যাকপেজ। এই ওয়েবসাইটটি ছিল আমার মাবাবার ব্যবসায়ের বিজ্ঞাপনের জন্য আদর্শ জায়গা। আমার মা বিজ্ঞাপন এমনভাবে দিতেন যেন, তিনি নিজেকেই বিক্রি করতে যাচ্ছেন। বিজ্ঞাপনটা দেয়া হত বিশেষ কোডের মাধ্যমে যেন যারা প্রকৃত ক্রেতা তারা বুঝতে পারে আসলে তিনি বিক্রি করছেন তার মেয়েকে।

.

আপনি একটি ভোগ্যপণ্যে পরিণত হন- সারাজীবনের জন্য অন্যান্য ভোগ্যপণ্যের মতই এখানেও “মান নিয়ন্ত্রণ” করার ব্যবস্থা ছিল। সুন্দর, স্মার্ট মেয়েদের দাম ছিল বেশি। পণ্যের উপরে তাদের শতভাগ নিয়ন্ত্রনের দরকার ছিল। আবার কোন মেয়ের গায়ে যদি বেশি হাত তোলা হত তাহলে তাতে শরীরে দাগ পড়ে যেত যা অন্যদের নজরে পড়ত। তাই তারা আরো ক্রিয়েটিভ হয়ে উঠে শাস্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে। লোহার বাক্স কিংবা গাড়ির ট্রাংকে গরমে অজ্ঞান না হয়ে যাওয়া পর্যন্ত বন্দী করে রাখা ছিল নিত্য নৈমিত্তিক ব্যপার।

.

মুলত, তাদের ইচ্ছা ছিল আমার টিনেজ বয়সের মধ্যভাগ পর্যন্ত আমাকে নিয়ে ব্যবসা করা আর এরপরে কারো কাছে বিক্রি করে দেওয়া। অনেক সময় স্কুলে লেকচার দেওয়া হত যে, বাবা মায়ের কত হাজার হাজার ডলার খরচ হয় একটা বাচ্চাকে মানুষ করতে। তবে আমার বাবামায়ের ছিল ভিন্ন ইচ্ছা। তারা আমাকে দেখেছিলেন বিনিয়োগ হিসেবে আমার বয়স যখন ১৪ তখন আমাকে কেনার জন্য প্রস্তাব আসতে থাকে। ১৫ বছর বয়সে একজন আমার জন্য পঞ্চাশ হাজার ডলার অফার দেয়। কিন্তু আমার বাবা মা রাজি হয়নি। তারা আমার জন্য দেড় থেকে দুইলাখ ডলারের আশা করছিলেন। (কখনো খেয়াল করে দেখেছেন কি যারা এইরকম যৌনতার জন্য দাসী কিনতে চায় তারা সবাইই অনেক টাকাওয়ালা?) যাইহোক, পরে সেই ক্রেতা সস্তায় বিদেশি একজনকে পেয়ে যায়। একটু বড় হয়ে আমি বিদেশি কয়েকজনের সাথে পরিচিত হই যাদেরকে আমার মতই বাধ্য করা হচ্ছিল পতিতাবৃত্তিতে। কেউ ছিল থাইল্যান্ডের, কেউ ছিল ভারতের, কেউবা এসেছিল আফ্রিকা থেকে। সবার কাহিনিই ছিল প্রায় একই রকম। পরিবার থেকে শুরু; এরপরে পারিবারিক বন্ধু এবং সেখান থেকেই একসময় অপরিচিত লোকদের মাঝে যাত্রা। আফ্রিকা থেকে যার সাথে পরিচয় হয়েছিল তার বাবামা চ্যাটরুমে তার মেয়ের রুপের প্রশংসা করত। একসময় তাকে বিক্রি করে দেওয়া হয়। একটা দত্তক প্রতিষ্ঠান তাকে গ্রহণ করে। তার জন্য কোন বাড়ি ছিল না; ছিল বাড়ি নামে পতিতালয়। থাইল্যান্ড থেকে যারা এসেছিল তাদেরকেও এইদেশে এনেছিল একই লোক।

.

আমি ছিলাম ছোট এক শহরের বাসিন্দা। সেখানকার অবস্থা ছিল কিচ্ছু দেখিনি, কিচ্ছু শুনিনি ধরণের। “মেয়েটা তার বাচ্চা। তার যা খুশি করতে পারে।” আমার সৎবাবাকে নিয়ে এই ছিল সমাজের মনোভাব। এই শহরে আমি যখনই কারো কাছে সাহায্য চেয়েছি তারা তা বিশ্বাসই করত না। অনেক ক্ষেত্রে তারা তখন উলটা আমার বাবামার সাথে যোগাযোগ করত। কিছু বড় হওয়ার পরে আমি আমার এক চাচীর সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করি। তিনি ছিলেন খুবই ভাল মানুষ। আমি তাকে আমার সব কথা খুলে বলি। তিনি সরাসরি আমার মাকে চার্জ করে বসেন। আমার মা ধুর্ততার সাথে এক কাহিনী ফেঁদে বসেন। তিনি বলেন, কিছুদিন আগে নাকি আমাকে একটা রুমে এক ছেলের সাথে দেখে ফেলেছেন। এর জন্যই নাকি আমি উলটাপালটা নাটক শুরু করছি। পরে এইরকম সাহায্য চাওয়ার জন্য আমাকে শাস্তিও দেওয়া হয়।

.

স্কুলে কাউন্সেলররা খুব বড়গলায় বলত, যেকোন সমস্যাতে আমরা যেন তাদের সাথে যোগাযোগ করি। আমি আমার কাউন্সেলরকে সব খুলে বলেছিলাম। তিনি আমার মায়ের কাছে যাননি। তিনি আমার সৎবাবাকে ডেকে এনেছিলেন। তারপর তার সামনে আমাকে বলেন, “একটু আগে আমাকে যা বললে তা আবার বলো।” আমি ভয়ে কোন কথাই বলতে পারিনি। সেই রাত্রে আমার সৎবাবা আমাকে পিটিয়ে প্রায় মেরেই ফেলেছিলেন। আসলেও এই ঘটনা ছিল অবিশ্বাস্য। একজন পনের বছর বয়সী কেউ আপনাকে বলছে যে, তাকে নিয়মিত যৌনকর্মে বাধ্য করা হচ্ছে, নির্যাতন করা হচ্ছে; এবং এ কাজে লিপ্ত তারই একান্ত আপনজন তা হয়তো কেউই বিশ্বাস করবে না। আমি কাউন্সেলরদের দোষ দেই না। আর আমি যেখানে থাকতাম সেখানে মারের দাগ দেখালেও মানুষ ভাবত যে, নিশ্চয়ই “বেয়াদবি”র জন্য মার খেয়েছি। “চাইল্ড প্রোটেক্টিভ সার্ভিস” এর অবস্থা ছিল কাগুজে বাঘের মত। এর কারণ ছিল দুইটা। সরকারের তরফ থেকে কেউ পরিবারের কাজে বাঁধা দিত না। আর সবাইই সবাইকে চিনত। আমার স্থানীয় অফিসার ছিল আমারই এক কাজিন। সে নিজে মেয়ে হয়েও স্রেফ অন্যদিকে মুখ ঘুরিয়ে রেখেছিল। আর আমার ঘটনাকে সে লিখেছিল যে, ফ্যামিলি সিক্রেট। আমার কথা প্রথম যে পুলিশ শুনেছিল সে নিয়মিত আমার সৎবাবার কাছ থেকে ড্রাগস নিত। সেও মুখ অন্যদিকে ঘুরিয়ে রেখেছিল। আমি বুঝতে পেরেছিলাম যে এই নরক থেকে পালাতে হলে আমাকে একাই এর ব্যবস্থা করতে হবে।

.

আমি এ রাস্তা থেকে কীভাবে পালিয়ে এলাম? এর পেছনে কোন শ্বাসরুদ্ধকর  কাহিনি নেই। আমি রাতের আঁধারে সবার চোখে ধুলো দিয়ে বের হয়ে আসিনি। আমি নিজেকে বেচতে রাজি হয়েছিলাম। আমার ভিতরে তখন চিন্তা ছিল, যেইই আমাকে কিনে নিক না কেন আমি হয়তো নিজ বাড়ির চেয়ে ভাল অবস্থায় থাকব । প্রথমে যে আমাকে কিনেছিল সে ছিল আমারই বয়সী। সে আমাকে কেনার সময় বলেছিল যে, সে আমাকে ভালবাসবে; স্ত্রীর মর্যাদা দিয়ে রাখবে। কিন্তু সে আমাকে তার বন্ধুদের সাথে বিছানায় যেতেও বাধ্য করে। আমি সেইখান থেকে পালিয়ে আসি। গৃহহীনদের জন্য একটা ক্যাম্পে আমার ঠিকানা হয়।

.

একসময় অন্য কোন পথ না পেয়ে আমি পুরাতন রাস্তায় ফিরে যাই। আমি ব্যাকপেজের মাধ্যমে নিজের বিজ্ঞাপন দেই। কয়েকজনের তরফ থেকে সাড়াও পাই। এদের মধ্যে যাকে সবচেয়ে ভাল মনে হয়েছিল তার অফার গ্রহণ করি। তিন বছরের জন্য তার সাথে আমার চুক্তি হয়। সে আমাকে দেয় টাকা বদলে আমি পাই খাদ্য,বস্ত্র, বাসস্থানের নিশ্চয়তা। তার আয় ছিল লাখ ডলারের ঘরে। তার দরকার ছিল একজন সুন্দরী যাকে সে বিভিন্ন পার্টিতে নিয়ে যেতে পারবে আবার চুপচাপ তার কথাও অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে। এ সময়টা ছিল দোজখের মত। সে আমার প্রতিটা বিষয়ে নাক গলাতে থাকে। আমি কি পরব, কি বলব, এমনকি আমি কতটুকু ঘুমাতে পারব তাও সে ঠিক করে দিত। আমি তারকাছে পুরো তিনবছর থাকি। একপর্যায়ে সামাজিক স্ট্যাটাসের জন্য সে আমাকে কলেজে পাঠায়। আমি সেখানে একজনের সাথে পরিচিত হই। তার আর আমার সম্পর্ক শুধুই যৌনতার ছিল না। আমরা বন্ধুর মত সময় কাটাতাম। এক পর্যায়ে আমার মনিব আমাকে তার সাথে দেখতে পায়। তখন সে নিজেই আমাকে ভাগিয়ে দেয়।

.

এইভাবেই জীবনে প্রথমবারের মত আমি মুক্তির স্বাদ পাই। আমি আর কারো ভোগ্যপণ্য নই। এই জীবনের সাথে মানিয়ে নেওয়া সহজ নয়। যেভাবে আমাকে সবসময় সুন্দরী, স্মার্ট থাকার অভিনয় করতে হত অনেক সময় নিজের অজান্তেই আমি তা করে বসি। আমি অনেক সময় ছেলেদের কাপড় পরে থাকতাম। আমি যে একটা মেয়ে তা লুকানর চেষ্টা করতাম নিজের অজান্তেই।

.

আমি এখন একটা অনলাইন বিজনেস এর সাথে জড়িত। আমি চ্যারিটি কাজের সাথে জড়িত। প্রতিদিন আমার লক্ষ্য একটাই। আয়নায় তাকালে যে মারের দাগওয়ালা মেয়েটাকে দেখা যায় তাকে হারানো। আমি জানি এভাবে প্রকাশ্যে কথা বলায় হয়তো আমার উপরে বিপদ আসতে পারে। কেউ হয়তো এই আর্টিকলটা আমার বাবামায়ের কাছেও পাঠিয়ে দিতে পারে। কিন্তু আমি আর কেয়ার করি না। আমি এইসব শেয়ার করছি যেন আরো দশটা মেয়েও তাদের কথা বলতে শিখে মানুষের জানা উচিত যে, আমেরিকা থেকে দাসপ্রথা উঠে যায়নি। আমরাই দক্ষভাবে দাসপ্রথা লুকিয়ে রাখতে শিখেছি ।

.

নারী স্বাধীনতার সূতিকাগার আমেরিকাতেই নারীদের এই শোচনীয় অবস্থা সত্যিই ভাবিয়ে তোলে।

চলবে ইনশা আল্লাহ …… (লস্ট মডেস্টি অনুবাদ টিম কর্তৃক অনূদিত)

পড়তে পারেন-
ক্যামেরার পিছনে: https://bit.ly/2Mt2T8C
পর্দার ওপাশে: https://bit.ly/2xbVZiK
আমি কিভাবে পর্নোগ্রাফিতে আসলাম, কেন ছাড়লাম এবং কেন সবাই এটা পরিহার করবে- By Jessica Mendes: https://bit.ly/2OhYxTP
.

রেফারেন্স- http://www.womensfundingnetwork.org/enslaved-in-america-sex-trafficking-in-the-united-states/

শেয়ার করুনঃ