এক যে ছিল দেশ ……

বিসমিল্লাহির রহমানীর রহীম ।

একটা দেশ ছিল। সে দেশে একসময় স্কুল-কলেজে নৈতিকতা শেখানো হতো। ছেলে-মেয়েরা অনেক লাজুক ছিল। লজ্জা তাদের কাছে “ঈমানের অঙ্গ” ছিল।
.
একদিন এক সে দেশে পশ্চিম থেকে নতুন সংস্কৃতি নিয়ে আসা হলো। ছেলেমেয়ের ফ্রী-মিক্সিং সহজ হয়ে গেলো। বলা হলো “আই কন্টাক্ট করা বাধ্যতামূলক”, “লজ্জায় ক্ষয়”। দিন যেতে থাকলো। একসাথে বসে আড্ডা দেওয়া সহজ হয়ে গেলো। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে এলো ডিজুস। বললো গার্লফ্রেন্ড জুটাও। আছে “দুনিয়ার সুখ”। কথা বলো দিন-রাত “ফ্রি”। আর ঠেকায় কে?
.
এয়ারটেল এসে জানালো তারা “ভালোবাসার টানে পাশে আনে”। বাংলালিংক দেখলো তাদের “দিন বদলের গল্প” আর কেউ শুনছে না। সুড়সুড়ি না দিতে পারলে মার্কেটে টেকা দায়। তারাও আনলো বাংলালালিংক “দেশ”। নাচানাচি শুরু হলো দেদারসে। কিছুদিন পর আরো বিভিন্ন বিতিকিচ্ছা। এরপর আরো অনেক কিছু এলো।
.
“অশ্লীলতা”কে ডালভাত বানাতে মরিয়া “প্রথম আলো”, “ডেইলি স্টার” থেকে শুরু করে সব পত্রিকা। ডঃ মেহতাব খানম পরামর্শ দিলেন, “শারীরিক সম্পর্ক দোষের কিছু না”। ডেইলি স্টারে বের হতে লাগলো শো-বিজ। অশ্লীলতায় সয়লাব হয়ে গেলো। প্রথম আলো “কারিনা রুটি বানাতে পারে” কিনা এই খবর রাখে। রাখে তাদের বাসায় কে কখন আসে সে কথা। এভাবেই সেলিব্রিটি-স্টার তৈরি করলো। ছেলে-মেয়েদের শেখালো তাদের মতো হও। আরেক মীরজাফর কলাম লিখে বাচ্চাদের পরামর্শ দিলো ধর্ম না শিখে প্রেম শিখতে। পাঠ্যবইয়ে ইসলামকে বানানো হলো ভিলেন।
.
ছেলে-মেয়েরা হিন্দি মুভি-সিরিয়াল থেকে শিখলো প্রেম কতটা মহৎ। এবার এর সাথে যুক্ত হলো কলকাতার যৌনতাভিত্তিক সিনেমা। সব সহজ হয়ে গেল। পরিবর্তন মাইন্ডসেটের। মোবাইলে মোবাইলে, সাইটে সাইটে অশ্লীলতার জয়জয়কার হয়ে গেল। চেতনা ব্যবসায়ীরা সফল।
.
একের পর এক ঘটনা ঘটতে থাকলো। ইভ টিজিং বেড়ে গেল। বেড়ে গেলো ধর্ষণ। কেউ বললো পর্দার প্রয়োজনীয়তা। কেউ বললো দৃষ্টি সংযত রাখার কথা। কুর’আনে এই সমাধান আছে জেনেও বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সবাই যার যার মতো চলতে থাকলো। শুরু করলো পালটা ডিস্কোর্স। পোশাক দায়ী নাকি মানসিকতা দায়ী। অথচ পাগলেও বুঝবে দুটোই দায়ী। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে পর্দা করাই কাল হয়ে দাঁড়ালো। লম্পট মানসিকতার শিক্ষকরা একের পর এক ঘটনা ঘটাতেই লাগলো।
.
খুব বেশি খুন থেকে শুরু করে রেইপ কেস বেড়ে গেলো। বেড়ে গেলো ব্যভিচার। এই দেশে ব্যভিচার আইনসিদ্ধ। ইচ্ছাকৃত হলে “নো প্রবলেম”। যে কয়টা রেইপ হয়েছে তার বিচারেও শুভঙ্কর বাবুর ফাঁকি।
.
ইয়ং জেনারেশন খুব অনুপ্রেরণা পেল। তারা দেখলো যারা আসলেই জীবনের মানে বুঝেছে এই দেশ তাদের মূল্য দেয় না মোটেই। এদেশে স্টার হলো পতিতারা। সহজ কথা। আবারো বলছি। পতিতারা। হলিউড-বলিউডের তথাকথিত সেলিব্রিটিদের পূজা করতে শিখিয়েছে এই মিডিয়া। স্বভাবতই ছেলে-মেয়েরা তাদের মতোই হতে চাইলো। ভুলে গেল লাজ-লজ্জা সব।

.
১) এর মাঝে ভিডিও ভাইরাল হয়। এক ছেলে আরেক মেয়ে সম্পর্কে “খেয়ে ছেড়ে” দেওয়ার কথা বলে।
২) ভিডিও ভাইরাল হয়। কলেজ ড্রেসে ফিল্মি কায়দায় প্রপোজ করে, (বলতেও পারছিনা), ভিডিও করে।
৩) ভিডিও ভাইরাল হয়। স্কুল ড্রেসে ফিল্মি কায়দায় প্রপোজ করে, (বলতেও পারছিনা), (বলতেও পারছিনা), ভিডিও করে।
.
আরেকদল বলতে লাগলো, “তো হয়েছে টা কী? নিজেদের সম্মতিতেই তো?” অথচ যা ছিল “বিয়ে” এখন তার জায়গায় “সম্মতি” নিয়ে আসা হয়েছে। কুর’আনে যাকে বলা হয়েছে ব্যভিচার। এই গুনাহর মাত্রাটা হত্যার পরেই।
.
আল্লাহ বলেছেন, “তোমরা জেনার কাছেও যেওনা”। ব্যভিচারী নারী ও পুরুষকে শাস্তি দিতে আমাদের যেনো দয়ানুভুতি সৃষ্টি না হয় সে ব্যপারে কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন মহান রাব্বুল ‘আলামীন।
.
ন্যুনতম লজ্জাটাও উঠে যাচ্ছে। অবস্থা কতটা শোচনীয় কল্পনা করা যাচ্ছে না। কোনটাই বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। ভাবছি আমাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে। প্রজন্মের ভবিষ্যৎ।
.
হ্যাঁ! এই কথাগুলো লিখেছি কারণ আমরা এ প্রজন্মের লোক। এ প্রজন্মকে এমন বিকৃত দেখতে চাইনা। চাইনা। আমরা এমন দেশ চাইনা। আমরা পরিবর্তন চাই। এভাবে চলতে দেওয়া যায় না। ইয়া আল্লাহ, আমাদের হেফাজত করুন। আর দেশটাকে অশ্লীলতার আধার বানাতে প্রচেষ্টারত গোষ্ঠীকে ধ্বংস করে দিন। আমীন

– Abu Zuwainah

আমাদেরই সহপাঠী, কাসিন ফেসবুকে এমন আছে, যারা যত রকমের মডেল (রূপোপজীবিনী – রূপ বেচা যার জীবিকা), এক্ট্রেস, এমনকি পর্নস্টারদের পেইজে লাইক দিয়ে রাখছে। তাদের পোস্টে লাইক দিচ্ছে।
.
সেগুলা মানুষের নিউজ-ফিডে এসে পড়ছে! সাজেশন লিস্টে এসে পড়ছে। নৈতিকভাবে কতোখানি নিচে নেমে গেলে একজন প্রকাশ্যে নিজের পার্ভার্টেড কামাসক্তি এভাবে প্রকাশ করতে পারে! অনেকে তো বুঝিয়ে বলার পরও এসব চালিয়ে যায়।
.
প্রচলিত নাটক-সিনেমা-গানও যে এর বাইরে তাও না! এসবই অশ্লীলতার অন্তর্ভুক্ত। অন্তর্ভুক্ত যত অশ্লীলতা প্রচারকারী সংবাদও। কে কার বিছানায় শুইলো, কার mms লিক হয়েছে, কে শুটিং এ “সাহসী” দৃশ্যে অভিনয় করলো, এগুলা নিয়ে আলোচনা করাও অশ্লীলতা প্রচারের অন্তর্ভুক্ত। যদি এটা বাস্তবে সত্যও হয়, তবুও। অশ্লীল যেকোনও সংবাদ রাখ-ঢাক করাই ইসলামের বিধান।
.
ব্যক্তিগত একপেরিয়েন্স বলি; সেদিন একটা নতুন আইডি খুলেছি ফেসবুকে। স্কুল, কলেজ আর ভার্সিটির সামান্য কিছু সহপাঠীদের নিয়ে। একেবারেই ব্যাবহার করা হয় না বলতে গেলে। গতকাল লগ-ইন করেছিলাম।
.
সার্চবারে একটা ওয়ার্ড, সেটা যাই হোক, প্রেস করার সাথে সাথেই নিচে সব নোংরা একাউন্ট আর পেজের রেসাল্ট! এমন না যে আমার আইডি থেকে এসব আগে সার্চ করা হয়েছে। বরং ফেসবুকের ‘গ্রাফ-সার্চ’ বন্ধুদের সার্চগুলা প্রেফার করছে!
.
আমার যেই সহপাঠীরা ভাবছে, “আমার সার্চ তো কেউ দেখছে না”, বিষয়টা মোটেই তা না। বরং আপনার সার্চ হিস্ট্রি আপনি ক্লিয়ার করলেও সেটা যাবে না। আপনার সার্চবারে একটা ওয়ার্ড লিখলেই তা পাওয়া যাবে। আপনার যে কোনও আপনজনের কাছে যে কোনও দিন আপনি হয়ে যেতে পারেন লাঞ্ছিত!
.
বলার অপেক্ষা রাখে না, আমাদের সহপাঠীদের মানসিকতা কী। অথচ এরাই সহপাঠিনীদের ব্যাপারে দাবি করেঃ “এরা আমাদের বোনের মত।” যদিও বোনের মত সহপাঠিনীদের সাথে এমন সব “ফান” করে, যা এভাবে স্বামী-স্ত্রীরাও করতে লজ্জা পাবে!
.
আর বোনদের আড়াল হলে, নিজের দুই কানে শুনেছি, এসব কথা না চাইলেও আশে-পাশে থেকে কানে আসে; কত্তো সুন্দর রূপ ও দেহের প্রশংসা! “মাল”, “লেজ”, সহ আরও কত্ত বাহারি শব্দ। ফল-ফলাদির সাথে সাদৃশ্য রেখে তাদের “বোনদের” এক্সপোসড হওয়া দেহের বিভিন্ন অংগ নিয়ে তারা যা বলে, সেগুলা সুস্থ ভাষায় প্রকাশ করার মত না।
.
যারা ধর্ষণের প্রতিবাদে সবার চেয়ে বেশি লাফালাফি করে, যেন কয়টা লাইক কামাই হয়, ফলোওয়ার বাড়ে, নিউজে তাকে কাভারেজ দেয়া হয়, তাদের বেশিরভাগ অংশই কথায় কথায় অন্যের মা-বোনকে মুখ দিয়ে ধর্ষণ করে যায়! এটাকে তারা খুলনেসের অংশই মনে করে!
.
সেদিন ভার্সিটিতে ক্লাসে যাওয়ার পথে তিন ছেলের কথা কানে আসলো। একজন আরেকজনকে হিংসার সাথে বাহবা দিচ্ছে, কারণ তার দুই পাশে দুই সুন্দরী সহপাঠিনী বসেছে, যাদেরকে সবার সামনে তারা ‘বোনের-মত’ পরিচয় দেয়। তাদের কুরুচিপূর্ণ কথা উহ্য রাখলাম।
.
একদল মেয়ে আছে, যারা এই ছেলেদের মতই পার্ভার্ট; এরা এগুলা খারাপ কি দেখবে – উপভোগ করে! তাদের বাদে, অনেক বোনই আছেন, এগুলা বুঝেন না। তারা এই ছেলেগুলাকে ভাইয়ের মতই ভাবেন। কিন্তু জানেন না, এই “ভাইয়ের-মত” ছেলেগুলাই তার দিকে কীভাবে দৃষ্টি দেয়, আর তাদের বন্ধুদের কাছে তাকে কিভাবে উপস্থাপন করে!
.
ফ্রি মিক্সিং এ অভ্যস্থ এই ধরণের অধিকাংশ ছেলেদের সমাজে “ভালো ছেলে – Good boy” হিসেবে দেখা হয়। ফ্রি-মিক্সিং এর এই ঘটনাগুলো ‘বিচ্ছিন্ন’ ও ‘তাদের বয়সের দোষ’ বলে এড়িয়ে যায় সমাজ! ফলে সমাধান আর হয়য় না, ফলশ্রুতিতে অশ্লীলতার সাথে সাথে ধর্ষনের ঘটনাও বেড়ে যায়।
.
প্রাকৃতিক ভাবেই একজন পুরুষের নারীর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি আর একজন নারীর পুরুষের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি এক নয়। এই বিষয়টা মিডিয়ার অপপ্রচার আর পরিবার-সমাজের অসচেতনতার কারণে নারীদের অনেকেরই অজানা রয়ে যায়।
.

.
নারীকে পণ্য বানানো নষ্ট মিডিয়া ও নষ্ট সমাজ ব্যাবস্থা আমাদের বোনদের আজ শেখায় সৌন্দর্য্যের সংজ্ঞা, সৌন্দর্য্য কার কাছে, কীভাবে প্রকাশ করতে হবে, তার উপায়।
.
আমার এই ছোট্ট লাইফে, অনেক মেয়েদের দেখেছি, তারা লাইফে কোনোও এক সময় হলেও মডেল হওয়ার স্বপ্ন দেখতো! বিশেষত সাদা মেয়েরা। তাদেরকে শিখানোই হয়েছে, “পুরুষের কাছ থেকে দেহের ও সৌন্দর্যের বাহবা পাওয়াটাই তোমার জীবনের সার্থকতা!”
.
একথা অনস্বীকার্য যে, আমাদের সমাজে দ্বীনের যা চর্চা হয়, তাতে নারীগণ বেশ পিছিয়ে। অথচ সালাফগণের থেকে জানা যায়, তাদের নারীগণ দ্বীনের জ্ঞানে পুরুষদের থেকে কম ছিলেন না। হযরত আয়েশা সিদ্দিকা রাঃ এর জ্বলন্ত প্রমাণ। একারণের তারা উত্তম মা ছিলেন। উত্তম সন্তান তৈরি করতে পেরেছেন। সচেতনতা বাড়াতে ইসলামের চেয়ে উত্তম কোনও বিকল্প কেউ কখনই দিতে পারবে না।
.
বয়েজ স্কুলেই দেখেছি, সুন্দরী টিচারদের উপভোগের জন্য “কোমলমতি ছেলে” -দের একদল কীভাবে সামনের বেঞ্চে যায়, আরেকদল পিছনের বেঞ্চে যায়। পিছনের বেঞ্চে কী হয়, না লিখি।
.
কম্বাইন্ড স্কুলের ভয়াবহতা আমার খুব জানা নেই। আমাদের সময়ের দু-একটা ঘটনা শুনেছি, এটা বলার দরকার রাখি না, এগুলা সেই ৬০-৭০ এর দশক থেকেই এমন, আমার আব্বার ডায়রীতে এক মিশনারি শিক্ষকের জবান থেকে উনি এরকমই লিখে রেখেছিলেন, সেই শিক্ষক এসব কারণে তখন চাকরিই ছেড়ে -চটির সাথে পরিচিতি আসলে কিন্তু কাসিন আর বন্ধুদের থেকেই হয়ে থাকে, যেগুলা সেই “বড়োদের” ডেস্ক থেকে মারা। এটা আমাদের সময়কার কথা। এখন হাই স্পিড ইন্টারনেটের বদৌলতে, যে কোনও শিশু নিজেই এগুলা আবিষ্কার করে ফেলতে পারে কয়েক ক্লিকে। বন্ধুদের পর্ন ছড়িয়ে দেয়ার এক ভয়ংকর পরিণতি নিয়ে একটা ভিডিও আছে ইউটিউবেঃ youtu.be/jE5m5qjMEzE.
.
পার্ভার্শন এমন পর্যায়ে পৌঁছে গেছে যে, কোনও লাজুক ছেলে যদি এইসব “শর্ট-ড্রেস, হাতাহাতি, ওরনা টানার খেলা” দেখে বিরক্তি প্রকাশ করে, তবে সে হয়ে যায় পার্ভার্টদের দৃষ্টিতে পার্ভার্ট। পার্ভার্শনে আক্রান্ত ছেলে-মেয়েরা তাদের কাজগুলোকে যৌনতার মাঝেই কাউন্ট করে না।
.
http://www.yourbrainonporn.com/ এ একটা ভিডিও দেখেছিলাম এই বিষয়ে যে, পর্ন কিভাবে ব্রেইনের উপর এই পার্ভাশন এফেক্ট তৈরি করে, যাতে করে আক্রান্ত ব্যক্তির ক্রমশঃ দুর্বল হওয়া নার্ভ গুলো বুঝেই উঠতে পারে না যে, একজন পর্ন-নেশা-মুক্ত মানুষের উত্তেজনা তাদের থেকে আরও দ্রুত ও অল্পতেই তৈরি হয়।
.
ছেলে বা মেয়ে যে কেউই এতে সমানভাবেই আক্রান্ত হতে পারে, হয়তো বা এ কারণেই মেয়েরা তাদের নারী-সুলভ শালীনতা হারিয়ে ফেলছে। ছেলেরাও অসংযত আচরণকে প্রচার-প্রসার করে বেড়াচ্ছে। এভাবে তারা অজান্তেই জেনারেশন আফটার জেনারেশন অশ্লীলতার প্রচার করে যাচ্ছে।
.
ইহুদি-খ্রিস্টানরা খুব ভালো করেই বুঝে যে, শক্তির লড়াইয়ে মুসলিমদের সাথে তারা পারবে না। আদর্শগত যুদ্ধে তাই তারা যুবক-যুবতীদেরকে ডুবিয়ে রেখেছে বিভিন্ন লেভেলের অশ্লীলতায়।
.
আল্লাহ অশ্লীলতার প্রচারকারীদের ইহকাল ও পরকালে শাস্তি দিবেন বলেছেন। সম্ভবত আজকে মুসলিমদের এই করুণ অবস্থার পিছে অশ্লীলতায় ডুবে থাকা সমাজই দায়ী।
.
আল্লাহ বলেনঃ
.
“যারা পছন্দ করে যে, ঈমানদারদের মধ্যে অশ্লীলতা প্রসার লাভ করুক, তাদের জন্যে ইহাকাল ও পরকালে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি রয়েছে। আল্লাহ জানেন, তোমরা জান না।
যদি তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ ও দয়া না থাকত এবং আল্লাহ দয়ালু, মেহেরবান না হতেন, তবে কত কিছুই হয়ে যেত!
.
ওহে যারা ঈমান এনেছো! তোমরা শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না। যে কেউ শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করবে, তখন তো শয়তান নির্লজ্জতা ও মন্দ কাজেরই আদেশ করবে।
.
যদি আল্লাহর অনুগ্রহ ও দয়া তোমাদের প্রতি না থাকত, তবে তোমাদের কেউ কখনও পবিত্র হতে পারতে না। কিন্তু আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পবিত্র করেন। আল্লাহ সবকিছু শোনেন, জানেন।”
.
[সূরাহ্‌ আন্‌-নূর, আয়াত ১৯-২১]
.
লেখক- অজ্ঞাত

পড়ুন-

কুড়ানো মুক্তো (প্রথম পর্ব) – https://bit.ly/2oZCWEn
কুড়ানো মুক্তো (দ্বিতীয় পর্ব) – https://bit.ly/2p1YeS2
কুড়ানো মুক্তো (চতুর্থ পর্ব) – https://bit.ly/2x8qyWv
কুড়ানো মুক্তো (পঞ্চম পর্ব)- https://bit.ly/2x33lpc
শেয়ার করুনঃ