“পর্ন  ইউজ করা আর পতিতাগমন   সমান কথা ”

বিসমিল্লাহির রহমানীর রহীম ।

আমি অনেককেই বলতে শুনেছি যে পুরুষ মানুষ দুই প্রকার, এক যারা পর্ন দেখে না আর দুই যারা বেচে আছে । বর্তমানে পুরুষদের  মাঝে পর্ন  ও সম্পর্কিত ব্যাপারগুলো ভাত খাওয়ার মতই সাধারণ হয়ে গেছে । যেসব মহিলাদের দাম্পত্য জীবনের ওপর পর্নের মারাত্মক এবং হৃদয় ভেঙ্গে দেওয়া কষ্টকর আঘাতগুলো এসেছে  তাদের কাছ থেকে আমি  প্রচুর প্রশ্ন পাই । তাদের কাছে পর্ন মানেই হচ্ছে প্রতারণা । আসলেই কিন্তু তাই ।

আমাদের মধ্যে অনেকেই এই কথা গুলো মিথ্যা মনে করছেন, কারণগুলো আমি জানি (নিচে বলছি), কিন্তু তার আগে আপনাদের কিছু শব্দের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়া প্রয়োজন ।

“পর্ন ইউজ করা” বলতে আমি শুধু পর্ন দেখার কথা বুঝাইনি । পাবলিক প্লেসে হাঁটার সময় অথবা অনলাইনে ঘুরাঘুরির সময় এমন কিছু চোখে পড়াটা খুবই স্বাভাবিক যা পুরুষের চোখে একটু হলেও সুড়সুড়ি দেয়ার জন্যই উপস্থাপন করা হয়েছে । “ইউজ করা” বলতে বুঝিয়েছি, কেউ শারীরিক উত্তেজনা তৈরির জন্য ইচ্ছে করেই নিজের ইন্দ্রিয়ের মাধ্যমে ড্রাগ এর মত করে পর্ন নেয় (যেমন চোখ দিয়ে সরাসরি ব্রেইনে), তারপর বেশিরবভাগ সময়ই মাস্টারবেট করে।

“প্রতারণা করা” বলতে বুঝিয়েছি, একটা বিয়েতে একজন আরেকজনের প্রতি যে আস্থা, বিশ্বাস, প্রতিজ্ঞা, দায়বদ্বতা থাকে তা ভঙ্গ করার কাজে পর্ন  ব্যাবহার করা, হয়তো প্রত্যক্ষ ভাবে নয়তো পরোক্ষ ভাবে । কারণ একটা বিয়েতে শুধু শারীরিক চাহিদা মেটানোই মুখ্য ব্যপার হতে পারে না, আরও কিছু ব্যাপার আছে ।

পর্নের ফাঁদ

নৈতিকতার শেষ স্তর কত নিচু হতে পারে, চলুন দেখি ।

Step 1: ধরুন, আমি একজন পতিতার কাছে গিয়েছি । এবং তার মাধ্যমে আমার শারীরিক চাহিদা মেটালাম । এটা কিন্তু আমার স্ত্রী’র সাথে প্রতারণা করা হবে । এ ব্যাপারে অন্তত কেউ আমার সাথে তর্ক করবেন না আশা করি ।

Step 2: এবার মনে করুন, আমি যখন পতিতাটির কাছে গিয়েছিলাম, আমরা আসলে একজন আরেকজনকে একদমই স্পর্শ করিনি । আমি শুধু তাকে আরেক পুরুষের সাথে শারীরিক সম্পর্কে যেতে দেখে একই রুমে মাস্টারবেট করলাম (বিচ্ছিরি, তাই না?,থামবেন না কিন্তু, পড়তে থাকুন ) । এটাও কি আমার স্ত্রী’র সাথে প্রতারণা হবে???

উপরের এবং বর্তমানের দুটো কেসেই আমি যৌন আনন্দ পাওয়ার জন্য পতিতা একজন মহিলার সার্ভিস খুঁজছি, শুধু তাই না, এমন যৌন সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য এমন একজন মহিলার শারীরিক সৌন্দর্য এঞ্জয় করছি যে কিনা আমার স্ত্রী না ।

“হ্যাঁ, আমি একজন পতিতার সামনে আমার চাহিদা পূরণ করেছি, কিন্তু বিশ্বাস কর আমরা একজন আরেকজনকে একদমই স্পর্শ করিনি । আমি তোমার বিশ্বাস রেখেছি””–এমন উদ্ভট কথা কোন পুরুষ তার স্ত্রী’র সামনে বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবে???, আমার মনে হয় না!  স্বামীর প্রতি আমার স্ত্রী’র যে অধিকার, যে বিশ্বাস তার কোন মূল্যই যেখানে থাকে না, সেখানে শারীরিক স্পর্শ ছিল কি-ছিলনা তাতে কিছু যায় আসে না ।

Step 3: আচ্ছা এবার ধরে নিই আমি পতিতাটির সাথে সামনা সামনি দেখা করিনি বরং অনলাইনে কোন ভিডিও চ্যাটের মাধ্যমে যোগাযোগ করলাম । কথার কথা, ওই চ্যাট সেশনের সময় ভিডিও ইমেজকে আমার ফ্যান্টাসির সোর্স হিসেবে ইউজ করে আমি মাস্টারবেট করলাম । এটাও কি প্রতারণা???

এই যে এতটা শারীরিক দূরত্ব, এটা কি পরিস্থিতির এমন কোন পরিবর্তন করে যে বিয়ের প্রতিজ্ঞা গুলো আর ভাঙবে না??? অসম্ভব !!!

Step 4: এবার মনে করি ভিডিও চ্যাট না করে বরং ওই পতিতাটি আমার জন্য তার একটি নোংরা ভিডিও রেকর্ড করল যেন যেকোন জায়গায় যেকোন পরিস্থিতিতে  তা দেখে আমি মাস্টারবেট করতে পারি । এখনও কি এটা প্রতারণা???

অন্য কেউ রেকর্ড বাটন প্রেস করেছে এজন্য এখন কি হটাৎ  করে আমি বিয়ের প্রতিজ্ঞা গুলোর প্রতি বিশ্বস্ত??? না, বরং এটা আরো   স্টুপিড একটা কাজ ।

Step 5: এখন মনে করি, সেই পতিতাটির একটা বিজনেস কার্ড আছে,  তাতে আবার খুব স্টাইল করে লেখা আছে “পর্ন অভিনেত্রী”। এমনকি তার একটা ওয়েবসাইটও আছে যেখানে এপর্যন্ত সে যেসব ফিল্ম করেছে তার লিস্ট আছে । তার পিম্প–মানে দালাল–এই কাজের জন্য সরকারকে ট্যাক্স দেয় এবং বাকি সব কিছুই ম্যানেজ করে । পুরোই রমরমা । আমি তার ওয়েবসাইটে গেলাম এবং ভিডিও গুলো দেখার জন্য ক্রেডিট কার্ড দিয়ে কিছু টাকা দিলাম যা সে খুব খুশি হয়েই আমার কাছে বিক্রি করল । এটা কি প্রতারণা??? এই যে পুরো ব্যাপারটার নাম পরিবর্তন করে পেশাদারিত্বের লেবাস পরানো হল তাতে কি মূল কাজের প্রকৃতি পরিবর্তন হয়ে যায়??? কখনোই না!!!

Step 6: এখন মনে করি এই পুরো ভিডিও কেনাবেচার ব্যাপারটা একটা ইন্ডাস্ট্রির মত যেখানে ওই মহিলা আরো অন্যান্য পতিতাদের এক বিশাল নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত যারা একই কাজ করছে । অনেকটা পতিতালয়ে যাওয়ার মত, যাকে যখন পছন্দ তখন বেছে  নিতে পারি, টাকা  দিলাম এবং তার শরীর আমার কামলালসা পূর্ণের জন্য উপভোগ করলাম । এটা কি প্রতারণা??? এই যে পুরো ব্যাপারটায় ইন্ডাস্ট্রির লেবাস পরানো হল তাতে কি মূল কাজের প্রকৃতি পরিবর্তন হয়ে যায়???অসম্ভব!!!

আধুনিক পর্ন ইন্ডাস্ট্রি কেমন হতে পারে শেষ এই স্টেপ এ এসে আমরা একটা ধারণা পেলাম  । এই কারণেই পর্ন ইউজ করা আর প্রতারণা করা সমান ।  পর্ন হচ্ছে বিয়ের প্রতিজ্ঞায় থাকা  সত্ত্বেও ডিজিটাল পতিতার সাথে সম্পর্ক ।

থামেন ভাইয়েরা, কথা এখনও শেষ হয় নাই ।

আমি এখন চড়চড় করে মন ভেঙ্গে যাওয়ার শব্দ শুনতে পাচ্ছি । অনেকেই ভাবছে–“ভাই থামেন, প্রথম স্টেপ আর শেষ স্টেপ এর সাথে তো কোন মিলই নাই, কেউ তো আর ডিজিটাল পতিতাবৃত্তি হিসেবে পর্ন দেখে না । আমাদের কালচারে পর্ন কে এভাবে দেখলে সেটা এক কথা ।  কিন্তু কেউ তো আর অনলাইনে পর্ন দেখার সময় এটা ভাবে না যে , ‘উফফ, একটা ডিজিটাল পতিতা দিয়ে এখন আমার কামলালসা পূর্ন না করলেই না’”

ভাল পয়েন্টই ধরেছেন ।  যাই হোক না কেন , প্রতিজ্ঞার কথা আসলেই কিন্তু প্রবৃত্তি আর উদ্দশের  কথা আসে ।  আমি যদি একটা কন্ট্রাক্ট সাইন করি যে আমার মালিকের কোন ব্যাবসায়িক তথ্য কারো সঙ্গে শেয়ার করব না, কিন্তু তারপরই কর্মক্ষেত্রের একটা  ইমেইল আমার বন্ধুকে ফরোয়ার্ড করি, জানিই না যে এটাও ব্যবসায়িক তথ্যের মধ্যেই পরে, আমি কিন্তু ইচ্ছা করে  কন্ট্রাক্ট ভাঙ্গার জন্য দায়ী না (যদিও মালিক ইচ্ছা করলেই আমার চাকরী খেয়ে দিতে পারে)।  যারা পর্ন ইউজ করে তারাও নিশ্চয়ই একই রকম করেই ভাবে যে, “আমি তো শুধু অভিনেতা অভিনেত্রীদের বানানো একটা ভিডিও দেখছি, কোন পতিতার সাথে ডিজিটাল সম্পর্ক করার কোন ইচ্ছা নাই””

মানলাম, কিন্তু  নৈতিক সিদ্ধান্ত যখন প্রশ্নবিদ্ধ তখন এর পেছনে কি উদ্দেশ্য ছিল তার মূল্য খুব কম । পর্নের ফাঁদ নিয়ে উপরের কথা গুলো যতটা না উদ্দেশ্য নিয়ে তার চেয়ে বেশি কাজগুলোর প্রকৃতি কেমন তা নিয়ে । পর্নোগ্রাফি বানাতে গিয়ে দর্শকদের যৌন সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য রক্তমাংসের কিছু মানুষ সত্যি সত্যি নিজেদের বিক্রি করে দিচ্ছে । দর্শক বুঝুক আর নাই বুঝুক, একজন পতিতা মহিলাকে  তার শরীর ও যৌন আবেদনের জন্য ব্যাবহার করা হয়েছে, এখন মাধ্যম যাই হোক না কেন, এই কথার কোন পরিবর্তন হবে না ।

শারীরিক আনন্দের জন্য নিজ স্ত্রী ছাড়া আরেক মহিলার সান্নিধ্য খোঁজা বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করার মত কোন কাজ না, বরং তা থেকে আরো দূরে সরিয়ে দেয়– যদিও ওই মহিলাকে একটা নোংরা এক্টিং এজেন্সির লেবাস পরিয়ে ভিডিওর মাধ্যমে আড়াল করে রাখা আছে, তাও কিছু যায় আসে না। এই কারণেই বিপুল সংখ্যক মহিলা বলে যে পর্ন ইউজ করা আর প্রতারণা করা সমান

পর্ন দেখা মানে ডিজিটাল পতিতার সাথে সম্পর্ক করা।   #পর্ন_মানে_প্রতারণা

প্রতারণা কেন এখানে প্রশ্নবিদ্ধ (আর কেনইবা এটা কোন ব্যাপার না)

যদিও আমি বলেছি যে পর্ন ইউজ করাটা বিয়ের পবিত্রতা এবং প্রতিজ্ঞা নষ্ট করে দেয়, এখন তারপরও  কেউ এমনটা করলে কি আচরণ করা উচিত তা নিয়ে আমি কোন উপদেশ দিব না । পর্নের ফাঁদ নিয়ে উপরের আলোচনায় ছয়টা ভিন্ন ভিন্ন স্টেপ এ ছয়টা ভিন্ন ভিন্ন দৃশ্যপট ব্যাখ্যা করা আছে । প্রত্যেকটা স্টেপ এই পাপের আলাদা ওজন আছে । প্রত্যেকটাই হয়তো প্রতারণা, তাদের প্রত্যেকের গভীরতা সমান না ।

যারা প্রশ্ন করে “”পর্ন ইউজ করা কি প্রতারণা”?” আবার বলে এটা কোন ব্যাপার কেন হবে,  তাদেরকে কোন কথা বলতেই দেয়া উচিত না।

কেউ কেউ এই প্রশ্ন করার সময় আরো কিছু কথা নিয়ে আসে। তারা মনে করে  “পর্ন মানে প্রতারণা সুতরাং তোমাকে আমি কক্ষনো ক্ষমা করবো না” “পর্ন মানে প্রতারণা সুতরাং আমি তোমাকে ডিভোর্স দিব” ”পর্ন মানে প্রতারণা, আমিও তোমার সাথে প্রতারণা করে তোমাকে মজাটা বুঝাবো”–এইসব কথা গুলো পুরোই আলাদা বিষয় । যদি বলি একজন পুরুষ তার বিয়ের প্রতিজ্ঞাগুলো নষ্ট করেছে পর্নের মাধ্যমে, সেটা এক ব্যাপার ।  আবার যদি বলি তাকে ক্ষমা করা যাবে না, ডিভোর্স দেয়া উচিত অথবা তার উপর প্রতিশোধ নেয়া উচিত, সেগুলো আবার পুরোই আলাদা ব্যাপার ।

কেউ কেউ আবার এই প্রশ্ন করার সময়, শুধু এটাই জানতে চায় যে, সারাজীবন একজন আরেকজনের প্রতি আস্থাভাজন হয়ে থাকার যে উৎসাহ বিয়েতে  “কবুল” বলার সময় তারা তাদের স্বামী বা স্ত্রী’র মধ্যে  দেখেছিল সেটা এখন কোথায় গেল। হ্যাঁ, এটা মানতেই হবে যে এই পুরো পৃথিবীটাই যৌন সুড়সুড়ি দিয়ে ভরা । হ্যাঁ, তারা এটাও জানে যে তাদের জীবন সঙ্গীর হরমোনাল ক্যাপাসিটি একটু বেশিই আর তারা অন্যদের প্রতি একটু আকর্ষিত, তারপরও তারা তাদের সঙ্গীর আকর্ষণ, মনোযোগ, যৌন সন্তুষ্টি সবকিছুর কেন্দ্রে থাকতে চেয়েছিল, এর বেশি কিছুই না । “কবুল” বলার সময় তারা মন থেকে সত্যিকার অর্থেই বলেছিল, একই বিষয়টা অপর দিক থেকেও তারা আশা করেছিল ।

দুটো বিষয় এই সমস্যার গভীরে  কাজ করে ।

প্রথমত, বেশিরভাগ সময়ই মানুষ বিয়েটাকে একটা আনন্দ-বিনোদন-উৎসবের মাধ্যম এবং লোক দেখানোর উপায় হিসেবেই দেখে, কিন্তু বিয়ের প্রতিজ্ঞা আর দায়িত্ব গুলোকে সিরিয়াসলি দেখে না ।

একারণে, আমরা আবিষ্কার করি আমাদের দুই পা দুই মেরুতে । এক মেরুতে, আমরা অনেক খুশি, সেই “পার্ফেক্ট মানুষ” কে খুঁজে পেয়েছি, তার সাথে একসাথে সারাজীবন কাটিয়ে দিব, মৃত্যু পর্যন্ত আমরা একে অন্য ভালবাসবো ছেড়ে যাব না । আরেক মেরুতে,  আমরা স্বার্থপরের  মত কম্পিউটার স্ক্রিনের সামনে নিজের যৌন তৃপ্তি মেটাই এবং বিয়ের সুখ আর সুবিধাগুলো উপভোগ করি ।

এই দুই মেরু আমাদের পাপে পূর্ন মনে তেল-জলের মতই মিশ খায় । এই ধরনের বিয়েতে আরো সামনে আগানোর আগে আমাদের হয় পর্নোগ্রাফি ত্যাগ করতে হবে নয়তো একজনকে নিয়ে সারাজীবন কাটানোর যে উদ্দীপনা আমরা দেখাই তা ত্যাগ করতে হবে।

দ্বিতীয়ত, এই ডিজিটাল দুনিয়া আমাদের আর সত্যিকার দুনিয়ার মধ্যে যে দূরত্ব তৈরি করে সেটা আমাদের পুরো অন্ধ করে দেয় । আমরা মনে করি, কোন বিষয় যদি “অনলাইন” অথবা “টিভি” অথবা “শুধুই কল্পনায়” হয় তাহলে এগুলা বড় কোন ব্যাপার না । আমরা পাপগুলোকে নতুন নাম দেই- চুরি করা হয়ে যায় ডাউনলোডিং, নিষ্ঠুর আচরণ আর কথা বার্তা হয়ে যায় ব্যক্তিস্বাধীনতা, সুবিধা গ্রহণ আর শোষণ হয়ে যায় আনন্দ বিনোদন । আমরা নিজেরদেরকে দৃষ্টিবিভ্রমের সাম্রাজ্যে  আটকে ফেলেছি । পর্নোগ্রাফি দুজন বিবাহিত মানুষের পারস্পরিক অংশগ্রহণে করা সুস্থ-স্বাভাবিক যৌনকর্মকে উৎসাহ দেয় না বরং এটা মাস্টারবেশনকে উৎসাহ দেয় ।পর্নোগ্রাফিই একমাত্র স্বয়ংক্রিয় উত্তেজনা যার মধ্যে অন্তরঙ্গতা বা ভালবাসা বলতে কিছু নেই । পর্নোগ্রাফি হচ্ছে, পর্নোগ্রাফারদের ব্যাবসার জন্য নিজেকে শেষ করে দেয়া।”

চলবে ইনশা আল্লাহ্‌ …

(লস্ট মডেস্টি অনুবাদ টিম কর্তৃক অনূদিত)

পড়ুন-

ও যখন পর্ন আসক্ত” (প্রথম পর্ব): https://bit.ly/2x4Ifaa
ও যখন পর্ন আসক্ত” (শেষ পর্ব): https://bit.ly/2p1M5fS
শেয়ার করুনঃ